শুক্রবার ১৫, মে ২০২৬

১৫ মে ২০২৬, ০১:৩৩ এএম

৭৩১ শিক্ষার্থীকে ৯২ লাখ টাকার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করলো ডিএনসিসি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ মে ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম

1700

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) শিক্ষা ও মেধা বৃত্তি নীতিমালা-২০১৭ এর আওতায় ৭৩১ জন শিক্ষার্থীর মাঝে মোট ৯২ লাখ ৪ হাজার ৬০০ টাকার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করেছে।

সোমবার (১১ মে) গুলশান-২ নগর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও শিক্ষার প্রসারে ডিএনসিসি নিয়মিতভাবে শিক্ষা বৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার মাধ্যমে তাদের শিক্ষাজীবন এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পেশায় নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সন্তানের প্রতি যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, সন্তানদের সঠিক পরিচর্যা ও শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এতে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে।

অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়েও সচেতনতামূলক বক্তব্য দেন শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, বর্ষা মৌসুমে বাসাবাড়ি, ফুলের টব, বালতি ও বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে, যাতে এডিস মশার প্রজনন না ঘটে।

তিনি নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, জনসচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। একইসঙ্গে “শনিবারের অঙ্গীকার, নিজ নিজ বাসা ঘর করি পরিষ্কার” এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ২০১৭ সালের নীতিমালার ভিত্তিতে এই শিক্ষা বৃত্তি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। গত বছর ৬৯ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেলেও চলতি বছরে সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৭৩১ জনে পৌঁছেছে।

তিনি জানান, নিম্ন আয়ের পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করাই এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ সময় প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান বলেন, শিক্ষার্থীদের বিকাশে পরিবার ও অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিচর্যা ও দিকনির্দেশনার মাধ্যমেই একজন শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

Link copied!