শুক্রবার ১৫, মে ২০২৬

১৫ মে ২০২৬, ০১:৩২ এএম

উচ্চশিক্ষার জাতীয় কর্মশালা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ মে ২০২৬, ১২:৪১ পিএম

1689

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসইভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী ‘উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে জাতীয় কর্মশালা’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। “ট্রান্সফর্মিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্সি” শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

উদ্বোধনের আগে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিনেট ভবনে পৌঁছান। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয় এবং পরে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ থেকেও পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় শেষে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ প্রধানমন্ত্রীকে একটি ক্রেস্ট প্রদান করেন।

এই কর্মশালার মূল প্রতিপাদ্য হলো— “বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষের রূপরেখা।” এতে সরকারের নীতিনির্ধারক, ইউজিসি সদস্য, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক, গবেষক, কূটনীতিক, শিল্পখাতের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজন অংশগ্রহণ করেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।

কর্মশালায় মোট পাঁচটি টেকনিক্যাল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এসব অধিবেশনে গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থান সক্ষমতা বৃদ্ধি, সফট স্কিল উন্নয়ন, চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা, শিল্প ও একাডেমিয়ার মধ্যে সহযোগিতা, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা, ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণায় উৎকর্ষ অর্জন, আন্তর্জাতিকীকরণ এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার গভর্ন্যান্স ও সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

ইউজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কর্মশালায় প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে একটি বাস্তবসম্মত নীতিগত রোডম্যাপ তৈরি করা হবে, যা দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে।

Link copied!