প্রকাশিত: ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
1700
১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৫ এএম
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে এক বিশেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিসহ দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে অবস্থিত বিরোধীদলীয় নেতার নিজস্ব কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সরকারের আসন্ন জাতীয় বাজেট নিয়ে দুই নেতার মধ্যে গভীর মতবিনিময় হয়। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি, বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের নতুন নতুন সম্ভাবনা এবং দুই দেশের সম্পর্কের বহুমুখী দিকসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়মতান্ত্রিক বিকাশ, সুশাসন নিশ্চিতকরণ ও অর্থনৈতিক দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক রাজনৈতিক ইস্যু নিয়েও দুই পক্ষ নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেন। বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও গভীর বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও জোরদার করার দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
উচ্চপর্যায়ের এই রাজনৈতিক বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর মি. এরিক গিলান এবং দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা হারমানোশি বার্নার্ড।
অন্যদিকে, বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা টিমের অন্যতম সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।